কবি মোঃ সরোয়ার জাহান এর
“কবিবয়ান”
তুমি নারী
তুমি ঝলকে
তুমিও উদ্বেলিত
তুমি উচ্ছ্বাস
তুমি ভূমিকম্প
তুমি
সোনার বাংলা,
তুমি বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ!
তুমি আমার হেরে যাওয়া অতীত
তুমি আমার সফলতার বর্তমান,
তুমি আমার স্বীকৃতি, ভবিষ্যৎ
তুমি আমার স্বীকৃত ভবিষ্যৎ হতে পারবে?
আজ এই ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধে
মানুষের আহাজারি ,যেখানে
কামানের গোলা ,
যেখানে আকাশে বোমারু বিমান ,
যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
যেখানে ধ্বংস হয়ে যায় সভ্যতা !
আধুনিক যুদ্ধে মানুষের প্রাণের আহাজারি
মানবিক স্বভাবে কবি আজ খেপেছে
কবি খেপেছে ,খেপেছে জীবনের উপর
কবি খেপেছে সমাজের উপর
কবি খেপেছে কবি খেপেছে কবি খেপেছে!
তোমাদের অন্তপ্রাণে এই কবি খেপেছে
বাংলাদেশ তথা বিশ্বের শান্তি কামি মুনুষের সঙ্গে
কবিও খেপেছে
খেপেছে বিশ্ব নেতাদের ভূমিকা, সিদ্ধান্ত নিয়ে!
তোমরা শান্তির পথে হাটো ,
তোমরা মানবিক হও ,
তোমরা বিশ্বনেতা মানবিক হও মানুষের জন্য।
মানুষের জীবনে রক্তের বিনিময়ে
তোমরা চেয়েও নাকো আর
তোমরা তোমাদের ক্ষমতা
তোমাদের অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে
বুলেট নিশানা করোনাকো
নিরীহ মানুষ নিরহ শিশুগুলো
তাদের আর্তনাদ ভারি করেছে সারা পৃথিবী
আমি তোমাদের কথা বলতে এসেছি
ইউক্রেনের অসহায় নাগরিক!
আমি তোমাদের কথা বলতে এসেছি !
আমি আজ আমার কথা বলতে এসেছি
আমি সভ্যতার কথা বলতে এসেছি!
আমি আমার পরিবার থেকে
আমি আমার বাস্তবতায় থেকে
আমি আমার দৈনিক
নিত্যনৈমিত্তিক
তুমি আমার শঙ্খ পাখি হবে?
বনলতা সেন এর মতো
কবি নজরুলের মতো
আমার রবীন্দ্রনাথের মত
আমার বঙ্গবন্ধুর মতো
আমার শেখ হাসিনার মতো
আমার শেখ রেহেনার মত
আমি আমার সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো
আমি আমার সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের মতো
আমি আমার রেজওয়ান মুজিব সিদ্দিক এর মতো
আমি আমার ভালোবাসা
বিলিয়ে দিতে
চাই আমিও দিতে চাই
বাঙালি জাতির জন্য
দিয়ে যাব কবিসত্তা
বিলিয়ে দেব ভালোবাসার নিবিড়
শান্তির পথে হেটে যাবে বাংলাদেশ ।
স্বপ্ন দেখি না আর বহুকাল স্বপ্ন দেখা হয় না
আমার স্বপ্নের সঙ্গে অনুষঙ্গগুলো
বসন্তের ঝরা পাতার মতো ঝরে গেছে
বহুকাল আগে
আমার আর আমি নেই
আমার আর মূল্য নেই
আমার টাকা নেই
আমার আর সমাজ নেই
আমার 'বৃষ্টির উঠান' আছে
আমি আছি কবিতাগুলো আছে
আমার সংসার আছে
আমার বাবা আছে আমার মা আছে
তবুও বুকে কখনো দহন পেয়িয়ে
কোন এক কালে কোন এক গলির অসভ্যতা
যখন আমার পায়ের ধূলিকণা
যখন আমার যান্ত্রিক শহর
যখন আমার অনুভব গুলো
করোনাকাল পেরিয়ে বোস্টার ডোজ
থেকে উঠে আসা কবি এখন প্রিয় শহরে
মানবিক স্বভাবে যে কবি
আপনাদের সামনে যে দাঁড়িয়ে আজ
অকপটে তার কথাগুলো বলে যাচ্ছে
শব্দের মুহুর্মুহু ত্বরান্বিত করে
উচ্চারিত করে তার শব্দে
কিছু রোমাঞ্চকর
কিংবা বিজয় উল্লাসে
উচ্চকিত আলোর ছটায়
দেখছে সেই আলোর দ্রুতি
ছড়িয়ে গেছে বাংলাদেশের
এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে
সেই আলোর পথে
আমার ৪২ বছর জীবনে মানবিক বেঁচে থাকা
এই মানবিক বেঁচে থাকার
মধ্যে
আমি মানবিক হতে চেয়েছি
আমি মানুষ হতে চেয়েছি
আজও মানুষ হতে পারি নাই?
মানুষ হওয়ার জন্য
মানবিক হওয়ার জন্য
একজন সফল মানুষ হিসাবে
পৃথিবীর বুকে
পৃথিবীর বুকে একটু মাথা তুলে দাঁড়াতে চাই
সভ্যতার কাছে বিশ্বের কাছে এই ভ্রমান্ডের কাছে
আমার করুণাময় সৃষ্টিকর্তার কাছে
বঙ্গবন্ধুর
বাংলাদেশের কাছে ।
কিছু চাইনা
আমি একটু ভালোবাসা
একটু ভালোবাসা
তোমরা আমাকে দাও ;
আমি ভালোবাসা
গুলোকে প্রতিদিন স্নেহদিয়ে
জীবনের প্রতিটি
অনুষঙ্গে
আমার শাব্দিকতার সঙ্গে
তোমাদেরকে জড়িয়ে
সামাজিক মূল্যবোধ আমরা এগিয়ে যাব
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে
আমরা পৃথিবীর শান্তির পৃথিবীর উন্নত
আমরা এগিয়ে যাব
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ
আমরা পৃথিবীর শান্তি
পৃথিবীর উন্নত প্রযুক্তির
পৃথিবীর মহাকাশ
পৃথিবীর জনসংখ্যা
পৃথিবীর জলসীমা
পৃথিবীর স্থল সীমা
আমাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত
সেই লাল-সবুজ পতাকা
আমাদের মানচিত্র রক্ষায়
জীবন দিলাম গর্বিত হে জীবন
দিলাম উৎসর্গিত রাষ্ট্র হে দেশ
হে আমার জন্মভূমি,প্রাণের
বাংলাদেশ
হে আমার শস্যশ্যামল সবুজে ঘেরা
আমার সরিষা ক্ষেতের মেঠো পথ,
হৃদয়ে মম অঞ্জলি হতেই
দেশকে দিয়েছি
আমার দেশ সোনার বাংলাদেশ
আমি অনেক ভালোবাসি তোমায়
আমার হৃদয়ের অঞ্জলি অঞ্জলি হতে
যে অর্ঘ্য তোমাকে দিয়েছি
ওগো আমার প্রাণের বাংলাদেশ
পেয়েছে বাংলাদেশ পাবে যতদিন বেঁচে থাকবে
এ কবিসত্তা, আমার আমি ততদিন এ দেশকে নিয়ে যাব
প্রাণের বিনিময়ে যতটুকু সহান যতটুকু ততটুকু দিয়ে
আমার আত্মিক মানবিক চিন্তা’য়
আমার ভেতরের আমার আদর্শ আমার সততার
কিছু স্মৃতি রেখে যাওয়া এ বিশ্বে মানবজাতির জন্য
তোমরা দোয়া কর ,জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু
হে আমার বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ তুমি দোয়া করো আমার জন্যো!
---------------------------
on the chest of the earth
kallyanpur,Dhaka-1207
